স্পোর্টস ডেস্ক: সাধের বার্সেলোনায় শেষ মেসি জমানা। ক্যাম্প ন্যু’তে শেষবারের মতো প্রেস কনফারেন্স করে জানিয়ে দিলেন কাতালুনিয়ার ঘরের ছেলে। দীর্ঘ ১৭ বছরের সম্পর্ক ছিন্ন করে অন্য ক্লাবের মহাতারকা লিওনেল মেসি। মাত্র ১৩ বছর বয়সে বার্সেলোনার লা মাসিয়া অ্যাকাডেমিতে এসেছিলেন। ফলে বিদায়লগ্নের প্রেস কনাফারেন্সে নিজেকে আর সামলাতে পারলেন না তিনি।
GRACIAS, POR HABERME HECHO FELIZ Y POR HABERME HECHO DISFRUTAR TANTO, ERES Y HAS SIDO LA RAZÓN DE MI AMOR POR EL BARÇA, JAMÁS TE OLVIDARÉ
TE SEGUIRÉ DONDE VAYAS Y SEGUIRÉ GRITANDO TUS GOLES
SIEMPRE #LEO #GOAT #Messi #D10S #leomessi pic.twitter.com/pFmCAVhau7— Alex Payá (@alexandrepayax) August 8, 2021
আর্জেন্তিনার হয়ে কোপা জয়ের পর নিজের পারিশ্রমিক অর্ধেক করেও বার্সেলোনার সঙ্গে নতুন চুক্তি স্বাক্ষর করতে রাজিও হয়ে গিয়েছিলেন লিওনেল মেসি। কথা ছিল কয়েকদিনের মধ্যেই সরকারিভাবে মেসির নতুন চুক্তির কথা ঘোষণা করা হবে। কিন্তু শেষ কয়েকদিনে বদলে যায় ছবিটা।
https://twitter.com/PavanFCB/status/1424325931645079554?s=20
MARCA-র রিপোর্ট অনুযায়ী মেসির এজেন্টদের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজে আলোচনায় বসে বার্সা বোর্ড। এই আলোচনা সভার পরেই মেসির সঙ্গে চুক্তি বাড়ানোর কথাবার্তা ভেস্তে যায়। ক্লাবের পক্ষ থেকে পরিস্কার করে দেওয়া হয়, বার্সা ছাড়ছেন তাদের ঘরের ছেলে।
C’est ça la fin de Leo Messi au FC Barcelone ? 100 personnes qui l’applaudissent masques sur le nez en respectant 1m d’écart ?
Mais c’est la paroxysme de la tristesse je suis effondré en regardant ces images. Regardez ce qu’on a fait au football https://t.co/lvaaoJHSxW
— Samuel Zagury (@Sammzag) August 8, 2021
সেই সিদ্ধান্তের কথা জানাতেই আজ ক্লাবের পক্ষ আজ প্রেস কনফারেন্সে আসেন মেসি। কনফারেন্স চলাকালীন টিস্যু পেপারে মেসির চোখ মোছার দৃশ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় মুহূর্তে ভাইরাল হয়ে যায়। দু’দশক আগে বার্সেলোনার সঙ্গে কিশোর লিওর চুক্তি হয়েছিল টিসু পেপারে সই করেই।
আরও পড়ুন নীরজের বর্শায় সোনার লক্ষ্যভেদ ভারতের
We will always love you. pic.twitter.com/uzeHS6cA4f
— FC Barcelona (@FCBarcelona) August 8, 2021
আরও পড়ুন বড়পর্দায় আসছে রুপোর মেয়ে চানুর বায়োপিক
কার্যত তার ইচ্ছের বিরুদ্ধেই ক্লাব ছাড়তে হচ্ছে বলে স্পষ্ট করে দেন মেসি। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘এই কঠিন পরিস্থিতির জন্য আমি প্রস্তুত ছিলাম না। গত বছর আমি দল ছাড়তে চেয়েছিলাম, কিন্তু এই বছর আমি, আমার পরিবার সকলেই চেয়েছিলাম যাতে এখানেই আমি খেলা চালিয়ে যাই। এটাই আমার বাড়ি। ১৩ বছর বয়সে আমি এখানে এসেছিলাম। আজ ২১ বছর বাদে আমার স্ত্রী এবং তিন সন্তানের সঙ্গে আমি দল ছাড়ছি।’
